আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

একক কবিতা সন্ধ্যা



kobitadiwas

তরুণ কবির কবিতা উৎসব



Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। রজত গোস্বামী
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। নিরঞ্জন জানা
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। মোনালিসা পাহাড়ী
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। সৌমন্তী সিনহাবাবু
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। সুজিত কুমার পাল
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। কৌশিক দাস
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। আগমনী রাজ
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব।। মোহিত ব্যাপারী
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। কবিতা সামন্ত
Card image

তরুণ কবির কবিতা উৎসব
তরুণ কবির কবিতা উৎসব ।। শান্তময় গোস্বামী
 swadhinota
 
স্বাধীনতা মানে তো নিজের অধীনতা। এই সরল বয়ানে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক এই যে, মানুষ কী সত্যিই নিজের অধীনে ছিল কোনোকালেই? অথবা, মনীষী বাক্য, মানুষ  স্বাধীন হয়েই জন্মায় এবং পরে সে পরাধীনতার বশীভূত হয়। সেটাও পুরোপুরি ঠিক নয় বোধহয়। জন্মমুহূর্তেই শুরু হয়ে যায় পরাধীনতা। এমনকি, তারও আগে, জীবনের একেবারে সূচনায়, কোনো ব্রাহ্মমুহূর্ত, যখন সম্ভাবনামাত্র, তখনই তো সে প্রকৃতির দাস। কিন্তু নির্বোধ নিকষ অন্ধকারে হয়তো স্বাধীনতার প্রশ্নই উঠতে পারে না। অর্থাৎ চেতনার স্ফূরণ এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সেকারণেই স্বাধীনতার বহুস্বর, বহুকৌণিক মাত্রা বিশিষ্ট। তবু জীবন অবিরত, অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিদিন অমৃতের পানে ধাবিত। সেখানে স্বাধীনতার চেয়েও গুরুত্ববাহী হয়ে ওঠে জীবনের স্বাদ অথবা স্বাদহীনতা। উপনিষদ বলছে, আত্মানাং বিদ্ধি। এই নিজেকে জানার সচেতন অথবা অচেতন প্রচেষ্টায় স্বাধীনতা, স্বাধীনতাহীনতায় জীবনের স্বাদহীনতার অনুভব, উপলব্ধি—পুরোটাই চেতনাসঞ্জাত। প্রাণীজগতে সম্ভবত জীবনের স্বাধীনতা বোধের সীমায় ততটা ধরা দেয় না। অতএব, স্বাদহীনতাও।
আমরা, সচেতন মানুষরাই স্বাধীনতার কথা বলি। অথচ, কথাটা নিয়ে সেভাবে তলিয়ে ভাবি না। স্বাধীনতার বোধ একজীবনে বহুমাত্রিকতা নিয়ে হাজির হতে পারে। ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত মাত্রাও তাতে প্রায়ই সন্নিবিষ্ট থাকে। প্রচলিত ব্যবস্থায় নেশন স্টেট তার বিকাশের স্বার্থে স্বাধীনতার যে উদাত্ত আহ্বান একদা জানিয়েছিল একটি পর্বে সেই রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার মধ্যেই অচেতন অবগাহন করে ঘুমিয়ে পড়ে মানুষের চেতনা। অথচ, জন্মমুহূর্ত থেকে যে পরিস্থিতির মুখোমুখী হতেই হয় মানুষকে, সেখানে প্রতি পদে তার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হলেও সে অনুভব করতে পারে না জীবনের স্বাদহীনতা। জীবনের এই ট্রমা প্রায়ই তাকে স্পর্শ করে না। আধুনিক বিশ্বে সিংহভাগ মানুষই রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতাকেই নিজের স্বাধীনতা বলে জেনেছে। ফলে, সেখানে তার স্বাদহীনতার প্রশ্ন নেই। যে আমৃত্যু অনুভব করেনি স্বাদ বা সুস্বাদের অনন্ত সম্ভাবনা, তার কাছে স্বাদহীনতার অভিজ্ঞতা অনুপস্থিত।
কী চাই, কেমন করে চাই, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্বাধীনতা ও তার মাত্রা। যেটা কখনোই চাইনি, সেটা পাইনি বলে তো কারও বোধে ধরা দেবার কথা নয়। অথবা, সেটা কতটা পেলে স্বাদু মনে হয়, কতটা স্বাদহীনতা। যেমন স্বাধীনতা। আসলেই কেউ স্বাধীন নই আমরা, অন্তত এই সময়ে। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপই পরনিয়ন্ত্রিত। দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি পর্বেই এই নিয়ন্ত্রণ। সেটা রাষ্ট্রীয় সীমানার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মানুষের সম্পূর্ণ ভূগোল জুড়েই এই নিয়ন্ত্রণ। তাহলে আর স্বাধীনতা থাকে না। ব্যক্তি আমি যা করতে চায় তার সবটাই কারও না কারও অথবা অনেকের নির্দেশিত। আর আছে আমাদের প্রভুত্বকামিতা। অন্যের সমস্ত ইচ্ছে অনিচ্ছেকে নির্বিচারে দ’লে, মাড়িয়ে আমাদের অনন্ত সুখ। অন্যের স্বাধীনতা হরণে নিজের প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার দুর্মর আকাঙ্ক্ষা।
জীবনের বাধ্যবাধকতায় ঘনিয়ে ওঠা অন্ধকারে জীবন বড় বিস্বাদ ঠেকে। স্বাদহীনতা চরম অতৃপ্তির দিকে ঠেলে দিতে পারে। সেরকম ক্ষেত্রেই কি মানুষ, ব্যক্তি মানুষ আত্মবিনাশের কথা ভাবে! আপাত সামঞ্জষ্য, সুশৃঙ্খলার আড়ালে কোথাও যেন ব্যত্যয় ঘটে যায়। সবটা আমাদের অনুভবে ধরা দেয় না। সেখানেই জীবনের গভীর, জটিল রহস্য। তবু জীবন অনন্ত, জীবন অবাধ, আগাধ। সবটাই একটেরে অন্ধকার নয়। সেখানে নানা সূক্ষ্ণ টেক্সচার। তবে, দেখতে জানতে হয়, অনুভব করা শিখতে হয়। জীবনের অপার রহস্য জীবনেরই জারণ রসে সিক্ত হয়ে উঠতে পারে। তখন আর স্বাদহীনতার প্রশ্ন নেই। ‘অহং’ অনুপস্থিত। তখনই উপলব্ধি এসে ধরা দিতে পারে জীবনের মায়া, সে বড় সুস্বাদু। জীবনের এই মায়া, এই অনন্ত সম্ভাবনা থেকে সরে যেতে থাকলে স্বাধীনতা থাকে না। আর, তখনই দুর্মর লড়াইয়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত হতে থাকে। সেই লড়াইয়ের পরতে পরতেও নিহিত থাকে জীবনের স্বাদ এবং বহুবিধ স্বাদহীনতা।   
 
 

Samar Deb ।। সমর দেব

রথযাত্রা



Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1105

মেদিনীপুরের রথযাত্রা ।। ভাস্করব্রত পতি
Bhaskarbrata Pati ।। ভাস্করব্রত পতি

মেদিনীপুরের রথযাত্রা ।। ভাস্করব্রত পতি   অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। ধারে ভারে এগুলো বেশ কয়েক কদম এগিয়ে। তবে জেলার মধ্যে বিখ্যাত মহিষাদলের রথ, রঘুনাথ বাড়ির রথ, নাড়াজোলের রথ, বগড়ির রথ, মহাপ্রভু মন্দিরের রথ ইত্যাদি। এছাড়াও বিভিন্ন…

Jun 19, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1044

রথযাত্রা: যাত্রার বোধনের দিন ।। শুভদীপ গোস্বামী
Subhadip Goswami ।। শুভদীপ গোস্বামী

রথযাত্রা: যাত্রার বোধনের দিন ।। শুভদীপ গোস্বামী   রথযাত্রা মানেই যাত্রার বোধনের দিন। ষষ্ঠী থেকে জষ্ঠি যাত্রার মরশুম হলেও জগন্নাথদেবের রথের চাকা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় প্রায় ৫৫০ বছরের পুরাতন লোকশিল্প যাত্রার যাত্রাপথ। অনেকে আবার এই দিনটিকে যাত্রার নতুন খাতার…

Jun 23, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 973

মহিষাদলের রথযাত্রা ।। ড. নীলোৎপল জানা
Dr.Nilotpal Jana ।। ড. নীলোৎপল জানা

মহিষাদলের রথযাত্রা ।। ড. নীলোৎপল জানা     মহিষাদলের রথযাত্রায় মহিষাদল রাজ পরিবারের ভূমিকাই এক সময় প্রধান ছিল। এই রথ ২০০ বছরের প্রচীন। মহিষাদলের রথযাত্রার সূচনাবর্ষ নিয়ে অল্প হলেও বিতর্ক আছে। কোনো কোনো প্রাবন্ধিক মনে করেন ১৭৭৬ সাল নাগাদ মহিষাদল রথযাত্রার প্রবর্তন করেছিলেন  রানি…

Jun 19, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 884

রথ দেখবি নাড়াজোল, জাত দেখবি কানাশোল ।। উমাশঙ্কর নিয়োগী
Umasankar Neogi ।। উমাশংকর নিয়োগী

রথ দেখবি নাড়াজোল, জাত দেখবি কানাশোল ।। উমাশঙ্কর নিয়োগী ভগ্ন রাজপ্রাসাদ আছে রাজা নেই, রাজার রাজত্বও নেই কিন্তু রাজকীর্তির সব কিছু জনসাধারণের মন থেকে মুছে যায়নি। রাজকীর্তিকে নিজেদের অতীত গৌরব বলে মনে করেছে। সাধারণ মানুষের একটি অংশ নিজেদের অর্থ শ্রম আন্তরিকতা…

Jun 21, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1148

মাহেশের রথে ঘাটাল যোগ ।। সন্দীপ দে
Sandeep Dey ।। সন্দীপ দে

মাহেশের রথে ঘাটাল যোগ ।। সন্দীপ দে   বোন সুভদ্রা বেড়াতে যাবার বায়না ধরলে তাকে ভোলাতে মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে গমন করেছিলেন দুই দাদা - জগন্নাথ ও বলরাম। সেই যাত্রাই রথযাত্রা। বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে রথযাত্রা নিয়ে বলতে প্রথমেই যেটা মাথায় আসে- “রাধারাণী নামে একটি…

Jun 22, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1102

দাসপুরের খাঞ্জাপুরের প্রাচীন রথ ।। দেবাশিস কুইল্যা
Debasish Kuila ।। দেবাশিস কুইল্যা

দাসপুরের খাঞ্জাপুরের প্রাচীন রথ ।। দেবাশিস কুইল্যা   সে কবেকার কথা। সংস্কৃত পণ্ডিত চতুষ্পাঠীতে ন্যায়শাস্ত্র শিখিয়ে চলছেন ছাত্রদের। আর পণ্ডিতের পরিচয় ছড়িয়ে পড়েছে দূর বহুদূরে। তখন সময়টা দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে। বর্ধমান মহারাজ কীর্তিচন্দ্র মহাতাব। সংস্কৃত মনস্ক মহারাজের একান্ত ইচ্ছায় চেতুয়া পরগনার…

Jun 19, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1021

গুপ্তিপাড়ার রথযাত্রা ।। শৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Souvik Bandopadhyay ।। শৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

গুপ্তিপাড়ার রথযাত্রা ।। শৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় উষ্ণতা এবং ভক্তির একটি প্রাচীন ঐতিহ্য, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার গুপ্তিপাড়ার রথযাত্রা ২৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। গুপ্তিপাড়া পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার একটি প্রাচীন জনপদ। এই জায়গাটি চুঁচুড়া সদর মহকুমার বলাগড় ব্লকে অবস্থিত। গুপ্তিপাড়ার পাশ…

Jun 21, 2023
Card image




রথযাত্রা  দেখেছেন : 1277

মেদিনীপুরের তিয়রবেড়িয়ার পেতলের রথ ।। কেশব মেট্যা
Keshab Metya ।। কেশব মেট‍্যা

মেদিনীপুরের তিয়রবেড়িয়ার পেতলের রথ ।। কেশব মেট্যা     শৈশবে মেলার প্রতি আকর্ষণ থাকবে না, এটা ভাবাই যায় না। কচি পায়ে হাঁটা দিয়ে মেলা দেখতে যাওয়া আর ছোট্ট ছোট্ট জিনিসের জন্য আবদারই তো মেলার প্রাণ। খেলারমাঠ আর মেলারমাঠ পেলেই শিশুরা ডানা মেলতে চায়…

Jun 19, 2023
আরও পড়ুন

সর্বাধিক জনপ্রিয়



একক কবিতা সন্ধ্যা



সহজ কবিতা সহজ নয় কঠিনও নয়



মহুল ওয়েব প্রকাশিত বিভিন্ন সংখ্যা



করোনা Diary



আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...