kobi binay majumdar mohool in

Mohool Potrika
  Login::Register

আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

কবি বিনয় মজুমদার



kobi binay majumdar mohool in

স্বাদহীনতার কাহানি



Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
জল জঙ্গল জমিন / হড় মিতানের ঋণ ।। গৌতম মাহাত
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
স্বাধীনতার স্বাদহীনতা ।। সুদেষ্ণা ঘটক অধিকারী
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
শিক্ষকের স্বাধীনতা–শিক্ষকের স্বাদহীনতা ।। শোভা ভট্টাচার্য্য
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
ভয় ।। অর্পিতা আচার্য
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
তুলির টানে স্বাদ–হীন সময় ।। অঙ্কন মাইতি
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
ছোলামুড়ি ।। অলক জানা
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
হে আমার দেশ ।। অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়
Card image

প্রবন্ধ : স্বাদহীনতার কাহানি
স্বাধীনতার এত বছর পরেও লোকশিল্পীদের স্বাদহীনতার কাহিনী ।। ভাস্করব্রত পতি
Card image

গল্প : স্বাদহীনতার কাহানি
শিশুর স্বাধীনতা– শিশুর অধিকার ।। সহদেব প্রধান
Card image

গল্প : স্বাদহীনতার কাহানি
রবিবাসরীয়র জন্য গল্প ।। শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী
swadhinota 
 
দীর্ঘ স্বাধীনোত্তর সময়ের পরেও অন্ধকার থেকে অন্ধকারে থেকে গ্যাছে জঙ্গলমহল তথা আদিবাসী সমাজ। তাদের থেকে হস্তান্তর হয়েছে জল জঙ্গল জমিনের অধিকার। দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু সেই অনন্ত আলোর ছোঁয়া পৌঁছতে পারেনি যার বা যাদের সমাজের চৌকাঠে তারা আদিবাসী। 
 
     যাদের খিদে আছে ১০০ কিন্তু স্বাভিমান তার চতুর্গুণ। এরা হাসতে জানে তাই বাঁচতে জানে।প্রকৃতির কোলে মাথা রেখে কষ্টগুলো মাপতে জানে। খিদে দেখিয়ে আদায় সে তো সুবিধাবাদীদের পথ, আদিবাসীদের নয়। দুদিন আসে কতকিছুই না করে সবাই, খবর হয় ছবি-ছাবা ছাপা হয়, প্রতিশ্রুতি আাসে, আসে পাশে থাকার আশ্বাস। তারপর সব বেমালুম -গিলিগিলি হোগাস ফোগাস ছুউউ..
  অথচ তাদের দিকে তাকান– তারা নির্বিকার নির্লিপ্ত। য্যানো আগে থেকেই জানা এই চিত্রনাট্য। তাদের আবাহনও নেই বিসর্জনও নেই। তাদের সবাই কুটুম। যারা সব জেনেও সব বুঝেও নির্লিপ্তির পথ নিতে পারে তারা আদিবাসী। 
 
      'আদিবাসী' শব্দটির ব্যুৎপত্তি ধরে নেওয়া গ্যালো ধ্রুপদী সংস্কৃত থেকে, 'আদি' অর্থাৎ 'মূল' বা 'প্রথম' এবং 'বাসী' অর্থাৎ 'বসবাসকারী '। সুতরাং 'আদিবাসী' কথাটির অর্থ প্রথম বা শুরু থেকে বসবাসকারী। মূলনিবাসীও বলা যায়। 'Indigenous People 'আদিবাসী' অর্থে উপজাতি শব্দটিও ব্যাপকভাবে প্রচলিত, এমনকি সরকারি নথিপত্রের কাজ-কারবারেও।
    'ট্রাইব' বা 'ট্রাইবাল' ইংরেজি শব্দ দুটি বাংলায় ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনকালে তাদেরই পৃষ্ঠপোষক নৃতাত্ত্বিকদের রচনার মধ্যে দিয়ে। সেই থেকেই শব্দটি বাংলা ভাষায় কম বেশি প্রচলিত হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১৯৪৭-এর কিছু পরে পরেই তফসিলী 'ট্রাইব' শব্দটি ভারত সরকার কর্তৃক গৃহীত হয়। তথাকথিত ট্রাইবাল বৈশিষ্ট্য বলতে প্রাগৈতিহাসিক, সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন, সরল, অনুন্নত, স্থানীক ও নিজস্ব ধর্ম দর্শনে বিশ্বাসীদের বােঝায়। যদিও তা নিজস্ব, সার্বিক নাকি সর্বকালীন সেই আলোচনা পরে না হয় করা যেতে পারে। কিন্তু আমরা দেখেছি, ট্রাইব শব্দটি ভীষণভাবে বিবর্তনবাদী গুণাবলীকে ধারণ ও প্রতিপালন করেছে। এতে ক্রমবিবর্তনের ধারা প্রাচীন স্তরের মানুষের কথা সভ্য মানুষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে একটা তীব্র মৌনতার প্রতিবিম্বক ।
 
      "১৯৫২-সালে তফশিলী জাতি এবং ট্রাইব-এর আধিকারিকেরা স্বীকার করেছেন যে, তফশিলী ট্রাইব-দের শ্রেণিভুক্ত করার কোন সঠিক মানদন্ড গড়ে ওঠেনি। কোন ট্রাইব-কে নথিভুক্ত করা হবে অথবা বাদ দেওয়া হবে তা স্থির করতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।" তবে আধিকারিকরা অনুভব করেছিলেন যে, ট্রাইবাল মানুষদের ক্ষেত্রে তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। (১) দুর্গম প্রত্যন্ত এবং তথাকথিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা বর্জিত এলাকায় তাদের আদিম জীবন ও বসতি ছিল, (২) সবক্ষেত্রেই যারা পিছিয়ে পড়া, (অর্থাৎ আধুনিকতার অনুষঙ্গে)।
 ★ রিপোর্ট অব দ্য কমিশনার ফর এস.সি এন্ড এস.টি//১ম খন্ড, (নিউ দিল্লী ১৯৫২)
 
অধিকাংশ আদিবাসীই জানেন না তাঁরা আদিবাসী নাকি উপজাতি? কারণ এই সামান্য মনে হওয়া থিওরিটা বারবার করে খাওয়ানো হয়েছে। সেটা একদিনে নয়। বরং বলা ভালো ধাপে ধাপে, দীর্ঘদিন ধরে যে ইন্ডিজেনিয়াস (Indigenous) শব্দটি সিমিলার অর্থ হল উপজাতি। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিল তবে মিউ মিউ করে– এই শব্দের অর্থ তো আদিবাসী!! তখন এলো আসল কন্সপিরেসি, বুঝলেন না!! ওই আদিবাসী মানেই তো উপজাতি। তারাও মানিয়া লইল এবং বুঝাইতে লাগিল কারণ তাতে তাদের হাঁড়ির তেমন ফুট কমবে না। 
      ইউ. এন এর তথ্য ও অর্ডার অনুযায়ী আদিবাসীরা সংরক্ষিত। শুধু তাই নয় ২০০৭ সালে পাস হওয়া ‘ইউনাইটেড নেশনস ডিক্লারেশন অফ দ‍্য ইন্ডিজেনিয়াস পিপলস' বা ইউএনডিআরআইপি অনুযায়ী, আদিবাসীদের নিজেদের উন্নয়নের ধারা নিজেদের নির্ধারণ, সমাজ পরিচালনের ক্ষমতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অধিকার তাদের প্রাপ‍্য হয়ে উঠবে৷ কিন্তু বাপু হে সেটা কি হাতের মোয়া!!
     কারণ আমাদের দেশে শেষ আদম সুমারির তথ্য অনুযায়ী কোনও আদিবাসীই নাই। যারা আছে তারা উপজাতি। যারা আছে সবাই উপজাতি। আর উপজাতি দের নিয়ে ইউ.এন-এর কোনও নির্দেশনামা নেই। তাই ইউনাইটেড নেশনের দায় আর থাকল না, তাই অতি সহজে আন্তর্রাষ্ট্রীয় বিধি লাগু করতে নো বাধা।
যদি এখনই না জাগে তবে সাঁওতালদের অবস্থাও কুড়মিদের মত হতে চলেছে। না ঘরকা না ঘাটকা।
বারবার করে একটা কন্সপিরেসি থিওরিম বা অবধারনা তৈরি করে বলা হয়েছে 
আদিবাসী=উপজাতি 
     মানে যেই মুড়ি সেই চালভাজা, এই আরকি
মানে যাহাই বাহান্ন তাহাই তিপ্পান্ন...

হে মহাজীবন



Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২২৭

গ্রেটা থুনবার্গ : জলবায়ু পরিবর্তন রোধে যৌবনের দূত ।। ভাস্করব্রত পতি
Bhaskarbrata Pati ।। ভাস্করব্রত পতি

  পুরো নাম গ্রেটা টিনটিন ইলেওনোরা এর্নম্যান থুনবার্গ। ২০০৩ এর ৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন সুইডেনের এই পরিবেশ কর্মী। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় তাঁর আন্দোলন আজ সারা বিশ্বের মানুষ জেনে গিয়েছে। সবাই আজ স্যালুট করে সপ্তদশী এই তরুণীর লড়াইকে। সাধারণ একজন স্কুল শিক্ষার্থী হয়ে…

Sep 4, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৫০

এক স্বপ্নদর্শী শিক্ষক ।। শ্রীজিৎ জানা
Srijit Jana ।। শ্রীজিৎ জানা

    তপোবনকেন্দ্রিক ভারতবর্ষীয় জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্যধারায় তরুচ্ছায়াতলে আচার্য - শিষ্য সুমধুর পরম্পরায় শিক্ষাগ্রহণ সম্পন্ন হত। 'গু' তথা অন্ধকার থেকে ' রু' তথা আলোর দিশা দেখাতেন গুরু। দুচোখের পাতায় এঁকে দিতেন জ্ঞানাঞ্জন। শিষ্যের নিকট  তখন গুরু পিতা, গুরু মাতা, গুরু দেব ভবঃ। আর…

Sep 3, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ৪৩৩

জাতির শিক্ষক : ঋষি রাজনারায়ণ বসু ।। প্রসূনকুমার পড়িয়া
Prosunkumar Poria ।। প্রসূনকুমার পড়িয়া

'এই ভগবদ্ভক্ত চিরবালকটির তেজঃপ্রদীপ্ত হাস্য মধুর জীবন, রোগে শোকে অপরিম্লান তাঁহার পবিত্র নবীনতা, আমাদের দেশের স্মৃতিভাণ্ডারে সমাদরের সহিত রক্ষা করিবার সামগ্রী।' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋষি রাজনারায়ণ বসু সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছিলেন।          উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ…

Sep 4, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৩৫

শিক্ষক বিদ্যাসাগর ।। দেবাশিস কুইল্যা
Debasish Kuila ।। দেবাশিস কুইল্যা

         'শিক্ষক' শব্দের অক্ষরগুলি বিশ্লেষণ করে পাই ; শিষ্টাচার, ক্ষমাসহিষ্ণু আর কর্তব্যপরায়ণ। এই  শব্দগুলিকে বিশ্লেষণের আলোয় ফেলে অসাধারণ কৃতিত্বের অধিকারী ও শিক্ষক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষামূলক কাজগুলিকে বিশ্লেষিত করতে পারি।      বিদ্যাসাগরের অভ্যুদয় ঊনবিংশ শতকে। ঊনবিংশ শতক নবজাগরণের যুগ। ভারত…

Sep 3, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৮০

গুরু শিষ্য পরম্পরা ।। অঙ্কন মাইতি
Ankan ।। অঙ্কন

  ভারতীয় শিল্প, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, প্রাচীর ও গুহাচিত্র ইত্যাদির ইতিহাস আর বৈশিষ্ট্য শুধু অন্যতম প্রাচীনই নয়, তার একটি বিশেষ ছন্দনৈপুণ্য আছে। সেই ধারাবাহিকতা থেকে ভারতীয় শিল্পশৈলীর চর্চার বিচ্ছেদ ঘটেছিল বিশেষভাবে মোঘল সাম্রাজ্যের পর দীর্ঘদিন ব্রিটিশ শাসন ও তারই পাশাপাশি দুটি বিশ্বযুদ্ধ…

Sep 3, 2020
আরও পড়ুন

কবি বিনয় মজুমদার



Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ১৫৪

বিনয় মজুমদারের কাব্যভুবন : আধুনিকতার মেধাবী সম্বিত ও যুক্তিতর্কের নন্দনবোধ ।। উৎপলকুমার মণ্ডল
Utpal Kumar Mandal ।। উৎপল কুমার মণ্ডল

  কবি বিনয় মজুমদারের জন্ম ১৯৩৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলা ৩১ এ ভাদ্র, ১৩৪১ তৎকালীন বার্মা অর্থাৎ বর্তমানের মায়ানমারের মিকটিলা জেলার তেডো শহরে। তাঁর পিতার নাম বিপিনবিহারী মজুমদার এবং মায়ের নাম বিনোদিনী মজুমদার। বিপিনবিহারী তখন বার্মার পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টে ওভারসিয়ারের  চাকরি…

Sep 16, 2020
Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ২১৫

‘কেন ব্যথা পাও বলো, পৃথিবীর বিয়োগে বিয়োগে?’ ।। বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়
Biplab Gangopadhyay ।। বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

  কবি বিনয় মজুমদারকে আমি দেখিনি, কিন্তু এই মানুষটিকে নিয়ে আমার তুমুল বিস্ময়। একজন কবি কীরকম হবে? শুধু কি সাদা পাতার উপর লেখা থাকবে তাঁর কিছু  মায়াবী অক্ষর? সেই অক্ষরের ভেতর আলো ফেলে ফেলে আমরা কবিকে খুঁজব? আর মুগ্ধ হব তাঁর …

Sep 16, 2020
Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ২৪১

পৃথিবী নামক একটি গ্রহের কবি বিনয় মজুমদার ।। তৈমুর খান
Taimur Khan ।। তৈমুর খান

            পৃথিবী নামক গ্রহটি আমাদের কাছে চিরদিন রহস্যময়। আর এই রহস্যময়তার ছবি খুব বেশি করে দেখেছিলেন কবি বিনয় মজুমদার। তাঁর সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়, দিন-রাত্রি-ভোর এবং গোধূলির সময় নিরীক্ষাকে তিনি আপন অনুভূতির সরল সমীকরণে ধরেছিলেন। এমনকী সেখানে চন্দ্রগ্রহণ - সূর্যগ্রহণ থেকে প্রচলিত লোকাচার পর্যন্ত…

Sep 15, 2020
আরও পড়ুন

সর্বাধিক জনপ্রিয়



সহজ কবিতা সহজ নয় কঠিনও নয়



করোনা Diary



আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

 

 

কবিতা, গল্প, কবিতা বিষয়ক গদ্য পাঠাতে পারেন ইউনিকোডে ওয়ার্ড বা টেক্সট ফর্মাটে মেল করুন admin@mohool.in ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- www.mohool.in এ প্রকাশিত লেখার বিষয়বস্তু ও মন্তব্যের ব্যাপারে সম্পাদক দায়ী নয় ।