kobi binay majumdar mohool in

Mohool Potrika
  Login::Register
  • শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম...কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ।। লক্ষ্মণ কর্মকার
  • বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় : আমাদের শিরদাঁড়া ।। সুকান্ত সিংহ
  • হে মহাজীবন
  • প্রাগৈতিহাসিক কৃষি সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী উৎসব 'করম পরব' ।। অরূপ মাহাত
  • স্বাদহীনতার কাহানি
  • অণুগল্প সংখ্যা । বর্ষা । ২০২০
  • শোনো গো দখিন হাওয়া
  • মহুল ওয়েব ।। অষ্টম সংখ্যা ।। একুশে ফেব্রুয়ারি ২০
  • মহুল ওয়েব ।। উৎসব সংখ্যা ।। মহলয়া ২০১৯
  • মহুল ওয়েব অনুগল্পের আড্ডা (১)
  • মহুল ওয়েব ।। উৎসব সংখ্যা ।। মহলয়া ২০১৮
  • মহুল ওয়েব দ্বিতীয় সংখ্যা
  • মহুল ওয়েব প্রথম সংখ্যা
    আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

কবি বিনয় মজুমদার



kobi binay majumdar mohool in

স্বাদহীনতার কাহানি



Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
জল জঙ্গল জমিন / হড় মিতানের ঋণ ।। গৌতম মাহাত
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
স্বাধীনতার স্বাদহীনতা ।। সুদেষ্ণা ঘটক অধিকারী
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
শিক্ষকের স্বাধীনতা–শিক্ষকের স্বাদহীনতা ।। শোভা ভট্টাচার্য্য
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
ভয় ।। অর্পিতা আচার্য
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
তুলির টানে স্বাদ–হীন সময় ।। অঙ্কন মাইতি
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
ছোলামুড়ি ।। অলক জানা
Card image

গদ্য : স্বাদহীনতার কাহানি
হে আমার দেশ ।। অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়
Card image

প্রবন্ধ : স্বাদহীনতার কাহানি
স্বাধীনতার এত বছর পরেও লোকশিল্পীদের স্বাদহীনতার কাহিনী ।। ভাস্করব্রত পতি
Card image

গল্প : স্বাদহীনতার কাহানি
শিশুর স্বাধীনতা– শিশুর অধিকার ।। সহদেব প্রধান
Card image

গল্প : স্বাদহীনতার কাহানি
রবিবাসরীয়র জন্য গল্প ।। শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী
swadhinota
ডোরবেল বাজাবার সময়  অনীক ভেবেছিল একটা রূপকথার পরি দরজাটা খুলে দেবে। কী যেন নাম বলেছিল ফেসবুকে? নির্ঘাত জালি নাম। আজকাল ওইসবই তো চলে। ও হ্যাঁ । মনে পড়েছে। কুয়াশা।
             অথচ যে মেয়েটা অনীককে চমকে দিয়ে দরজাটা খুলে দিল, তার নাম অনায়াসে কুয়াশা হতে পারে। মিশমিশে কালো মুখ। টানাটানা চোখে দীঘি নয়, কালবৈশাখীর অস্থিরতা। এই মেয়ের নাম কুয়াশা হবে না তো কার হবে? বেশ কালোই না হয় হলো। অনীক ভাবে। ওই যে কলেজে শুনেছিল। লাইট নেভালে সব সমান।বসতে বলে কুয়াশা ভিতরে চলে গেল। খানিক পরে চলে এল দুহাতে গেলাস নিয়ে। স্কোয়াশ।
–আমি কিন্তু স্কোয়াশ খাই না। বিরক্ত হয়ে বলল অনীক
–ওটা স্কোয়াশ না। স্ক্রু ড্রাইভার। ভদকা মেশানো।আমি ব্লেন্ডটা জানি। খেয়ে দেখো। ভালো লাগবে।
           তিনমাসের ফেসবুকে চ্যাটাচ্যাটি।চাটাচাটিই বলা ভালো। একজন যাদবপুর ইউনিভারসিটি। অন্যজন কলকাতা। একজন বিজ্ঞান। অন্যজন সাহিত্য। ভাবা যায় না মাইরি।মনে মনে ভাবে অনীক। এতোটা সে আশা করেনি।
এক্কেবারে প্রথম আলাপেই মদ্যপান। নাহ জমে যাবে মনে হচ্ছে। হোক কালো। এই কুয়াশা মেয়েটার অ্যাটিচিউড আছে। অনীক ভাবে।
          কুয়াশা এবার অনীকের মুখোমুখি বসে।একটা ফাটা ডেনিম আর গোলাপি টপ। টপের ভিকাটটা যেখানে মিশেছে সেখানে একটা গিরিখাতের সুচনাপথ দেখতে পাচ্ছিল অনীক।
অনীককে অবাক করে কুয়াশা নিজেই জামার বোতাম খুলতে শুরু করলো।"চলো। টাইম কম।ওটা এনেছো তো। বলে দিয়েছিলাম। আই মিন টু বি সিম্পল। নো কমপ্লিকেশন।"
অনীক এইসব ব্যাপারে ওস্তাদ। ব্যাগ হাতরালে একডজন কন্ডোম বেরিয়ে পড়বে অনায়াসে।নারী শরীর তার নিজের বাড়ির বাইরের বারান্দার থেকেও বেশি ভালো করে চেনা।পার্থক্য শুধু, অনীক বাড়ির বারান্দাটা অ্যাভয়েড করে। ওখান থেকে পড়ে গিয়ে বাবার অ্যাক্সিডেন্টটা হয়। সে দেখেনি অবশ্য নিজের চোখে। তখন সে ছয়। প্রতিবেশী নেহাআন্টি বলেছে। আন্টি এটা বলেনি যে বাবা নিজে থেকেই পড়ে গিয়েছিল নাকি তাকে কেউ পিছন থেকে ধাক্কা মেরে...
সে যা হোক। মেয়েমানুষের ক্ষেত্রে অনীক দুকানকাটা। প্রতিবার নতুন বারান্দায় যায় সে।রেলিঙ ধরে বসে থাকে। পা দুটো আলতো করে হাওয়ায় ভাসিয়ে দেয়। ভাবতে চেষ্টা করে পড়ে যাবার ঠিক আগে বাবার কেমন মনে হয়েছিল ভিতরভিতর। ভাবতে ভাবতেই তার চরম মুহূর্তটুকু চলে আসে! কী অদ্ভুত। অনীক ভাবে।দুটি বিপরীত মেরু। অথচ তাদের কী অপরূপ সমাবর্তন। কুয়াশা ততক্ষণে অনেকটা এগিয়ে গেছে। অনাবৃত বুক নিয়ে সে এগিয়ে আসছে অনীকের দিকে। কিন্তু এ কী! অনীক দেখলো, অন্তত ডোরবেল বাজাবার পরেও এতোটা ধাক্কা খায়নি সে। মানে কৃষ্ণকলি তো হতেই পারে কিন্তু ওই দাগটা!
–ঘাবড়ে গেলে? চাপ নেই। দাঁড়াও, লাইট নেবাই।তুমি রেডি হয়ে নাও ততোক্ষণ।
অনীক দেখতে পেল অনায়াসে মেখলা উড়িয়ে যেন একটা নদী বয়ে গেল সুইচবোর্ডটার দিকে।কিন্তু সে কী ধ্বজ হয়ে গেল? উত্তেজনা আসছে না কেন তার? আলোটা নিভে গেল। একটা কলকল শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ এগিয়ে আসছে ক্রমশ, আর অনীক ভয়ে সিঁটিয়ে যাচ্ছে ।"ওই দাগটা..."
কুয়াশা সহজ হয়, "কাম অন। আসল কাজটা তো নীচে। উপরেরটা দাগটা ধরে নাও জাস্ট একটা অ্যাপ। ডাউনলোডটা করো আসিক আমার। কী ভাবছো? আমি বেশ্যা। তা ভাবো।ছেঁড়া গেছে আমার। চলো সোনা। স্টার্ট ইট"
অনীক তবু থরথর করে বলে, "না। উই নিড টু টক। আলো জ্বালাও"
–কেন? আমি খারাপ দেখতে? নিজে থেকে একটা বাইশ বছরের মেয়ে তোর জন্য বেশ্যামাগির মতো জামা জিন্স খুলে দিল। আর তুই লাগাতে ঘেন্না মারাচ্ছিস? শালা হারামি। ছিঃ।
অনীক অন্যসময় হলে ভিরমি খেত। ফেসবুকে লোলিতা বিশাখা নিয়ে অপূর্ব পদাবলী রচয়িতা কুয়াশার মুখে এ কেমন ভাষা? কিন্তু সেই মুহূর্তে অনীক ভিরমি খেলো না। তার আলোটা দরকার।খুব বেশি করে। ওই ভয়ানক দাগটা...
–শুনবে??
কুয়াশা শান্ত হয়ে আসে। "তাহলে শোনো। তখন পাঁচ বছর বয়স আমার। শহরের পাঁচতারা পল্লীর পাঁচতারা আবাসনের বাসিন্দা আমরা।অথচ সেখানকার তারারা সব কবে জ্বলতে জ্বলতে নিভেই গেছে। সেই অনেকগুলো জ্বলে যাওয়া তারাদের মধ্যে একটি তারা ছিল আমার মা। বাবা রোজ অফিসের পার্টি করে দামী দামী পারফিউম লাগিয়ে বাড়ি ফিরতো। তারপর মাকে চুলের মুটি ধরে পেটাতো। আমি তখন পাশের ঘরে আঁকার খাতা আগলে মটকা মেরে পড়ে থাকতাম। কিন্তু একদিন আমার সেই বিড়ালঘুম ভেঙে গেল। নাকে একটা বিশ্রি পোড়া গন্ধ ধক করে ঢুকে এলো। এই গন্ধটা কোনও পারফিউমের নয়। দৌড়ে গেলাম পাশের ঘরে।গিয়ে দেখি মা জ্বলছে। বাবা মদ ঢেলে দেশলাই দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে মাকে। মাকে বাঁচাবার অনেক চেষ্টা করেছিলাম জানো? তখন তো বাচ্চা বয়স। মাথায় আসেনি। জড়িয়ে ধরেছিলাম মাকে। বুঝিনি মা আর তখন মা নেই।তন্দুরি হয়ে গেছে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে বুকটা পুড়ে গেল আমার। বাইরের ঘাটা শুকিয়ে গেল।ভিতরেরটা শুকোলো না। বুকের দাগটা মেলালো না। ছোটোবেলা থেকে চুলকে চুলকে মস্ত কিলয়েড হয়ে গেল। সারা দিন জ্বালায়। আমি ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করি। তারা মজে যায় তোমার মতো। ডেকে আনি। সঙ্গ করি। ওদের ঘামের গন্ধে সেই পোড়া গন্ধটা আবার ফিরে পাই। ওই গন্ধে আমার মা জড়িয়ে আছে......."
–থাক কুয়াশা। আর নয়......
–ভয় পেলে?
–না। আলো জ্বালো।
অনীক নিজেকে গুছিয়ে নিতে গিয়ে দেখে একটা গোলাপী আভার মতো কুয়াশা বসে পড়ছে সোফায়। তার চোখে জল। কুয়াশা ভেঙে বৃষ্টি নেমে এসেছে। অনীক বলে।
তুমি বলেছিলে পদাবলী লিখতে পারো আমার জন্য, মনে আছে কুয়াশা?
কুয়াশা ঘাড় নাড়িয়ে চুপ করে বসে থাকে।
–আমি কিন্তু তুমি যা যা লিখেছো সব হুবহু মুখস্থ বলতে পারি।
–ধুস। মিথ্যে
–সত্যিই। তবে আজ শোনাবো না। গিটারটা সঙ্গে নেই। সুর দিয়েছি ওদের। পরেরদিন গেয়ে শোনাবো...
কুয়াশা আর অনীক হঠাৎ এমন করেই বাস্তব চরিত্র থেকে কল্পনার চরিত্র হয়ে গেল। কে জানে আর তাদের দেখা হয়েছিল কিনা।
 
 
 

হে মহাজীবন



Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৪৯

এক স্বপ্নদর্শী শিক্ষক ।। শ্রীজিৎ জানা
Srijit Jana ।। শ্রীজিৎ জানা

    তপোবনকেন্দ্রিক ভারতবর্ষীয় জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্যধারায় তরুচ্ছায়াতলে আচার্য - শিষ্য সুমধুর পরম্পরায় শিক্ষাগ্রহণ সম্পন্ন হত। 'গু' তথা অন্ধকার থেকে ' রু' তথা আলোর দিশা দেখাতেন গুরু। দুচোখের পাতায় এঁকে দিতেন জ্ঞানাঞ্জন। শিষ্যের নিকট  তখন গুরু পিতা, গুরু মাতা, গুরু দেব ভবঃ। আর…

Sep 3, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২২৭

গ্রেটা থুনবার্গ : জলবায়ু পরিবর্তন রোধে যৌবনের দূত ।। ভাস্করব্রত পতি
Bhaskarbrata Pati ।। ভাস্করব্রত পতি

  পুরো নাম গ্রেটা টিনটিন ইলেওনোরা এর্নম্যান থুনবার্গ। ২০০৩ এর ৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন সুইডেনের এই পরিবেশ কর্মী। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় তাঁর আন্দোলন আজ সারা বিশ্বের মানুষ জেনে গিয়েছে। সবাই আজ স্যালুট করে সপ্তদশী এই তরুণীর লড়াইকে। সাধারণ একজন স্কুল শিক্ষার্থী হয়ে…

Sep 4, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৮০

গুরু শিষ্য পরম্পরা ।। অঙ্কন মাইতি
Ankan ।। অঙ্কন

  ভারতীয় শিল্প, ভাস্কর্য, স্থাপত্য, প্রাচীর ও গুহাচিত্র ইত্যাদির ইতিহাস আর বৈশিষ্ট্য শুধু অন্যতম প্রাচীনই নয়, তার একটি বিশেষ ছন্দনৈপুণ্য আছে। সেই ধারাবাহিকতা থেকে ভারতীয় শিল্পশৈলীর চর্চার বিচ্ছেদ ঘটেছিল বিশেষভাবে মোঘল সাম্রাজ্যের পর দীর্ঘদিন ব্রিটিশ শাসন ও তারই পাশাপাশি দুটি বিশ্বযুদ্ধ…

Sep 3, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ৪৩৩

জাতির শিক্ষক : ঋষি রাজনারায়ণ বসু ।। প্রসূনকুমার পড়িয়া
Prosunkumar Poria ।। প্রসূনকুমার পড়িয়া

'এই ভগবদ্ভক্ত চিরবালকটির তেজঃপ্রদীপ্ত হাস্য মধুর জীবন, রোগে শোকে অপরিম্লান তাঁহার পবিত্র নবীনতা, আমাদের দেশের স্মৃতিভাণ্ডারে সমাদরের সহিত রক্ষা করিবার সামগ্রী।' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋষি রাজনারায়ণ বসু সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছিলেন।          উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ…

Sep 4, 2020
Card image




হে মহাজীবন   দেখেছেন :  ২৩৫

শিক্ষক বিদ্যাসাগর ।। দেবাশিস কুইল্যা
Debasish Kuila ।। দেবাশিস কুইল্যা

         'শিক্ষক' শব্দের অক্ষরগুলি বিশ্লেষণ করে পাই ; শিষ্টাচার, ক্ষমাসহিষ্ণু আর কর্তব্যপরায়ণ। এই  শব্দগুলিকে বিশ্লেষণের আলোয় ফেলে অসাধারণ কৃতিত্বের অধিকারী ও শিক্ষক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষামূলক কাজগুলিকে বিশ্লেষিত করতে পারি।      বিদ্যাসাগরের অভ্যুদয় ঊনবিংশ শতকে। ঊনবিংশ শতক নবজাগরণের যুগ। ভারত…

Sep 3, 2020
আরও পড়ুন

কবি বিনয় মজুমদার



Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ২৩৯

পৃথিবী নামক একটি গ্রহের কবি বিনয় মজুমদার ।। তৈমুর খান
Taimur Khan ।। তৈমুর খান

            পৃথিবী নামক গ্রহটি আমাদের কাছে চিরদিন রহস্যময়। আর এই রহস্যময়তার ছবি খুব বেশি করে দেখেছিলেন কবি বিনয় মজুমদার। তাঁর সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়, দিন-রাত্রি-ভোর এবং গোধূলির সময় নিরীক্ষাকে তিনি আপন অনুভূতির সরল সমীকরণে ধরেছিলেন। এমনকী সেখানে চন্দ্রগ্রহণ - সূর্যগ্রহণ থেকে প্রচলিত লোকাচার পর্যন্ত…

Sep 15, 2020
Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ১৫৪

বিনয় মজুমদারের কাব্যভুবন : আধুনিকতার মেধাবী সম্বিত ও যুক্তিতর্কের নন্দনবোধ ।। উৎপলকুমার মণ্ডল
Utpal Kumar Mandal ।। উৎপল কুমার মণ্ডল

  কবি বিনয় মজুমদারের জন্ম ১৯৩৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলা ৩১ এ ভাদ্র, ১৩৪১ তৎকালীন বার্মা অর্থাৎ বর্তমানের মায়ানমারের মিকটিলা জেলার তেডো শহরে। তাঁর পিতার নাম বিপিনবিহারী মজুমদার এবং মায়ের নাম বিনোদিনী মজুমদার। বিপিনবিহারী তখন বার্মার পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টে ওভারসিয়ারের  চাকরি…

Sep 16, 2020
Card image




কবি বিনয় মজুমদার  দেখেছেন :  ২১৫

‘কেন ব্যথা পাও বলো, পৃথিবীর বিয়োগে বিয়োগে?’ ।। বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়
Biplab Gangopadhyay ।। বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

  কবি বিনয় মজুমদারকে আমি দেখিনি, কিন্তু এই মানুষটিকে নিয়ে আমার তুমুল বিস্ময়। একজন কবি কীরকম হবে? শুধু কি সাদা পাতার উপর লেখা থাকবে তাঁর কিছু  মায়াবী অক্ষর? সেই অক্ষরের ভেতর আলো ফেলে ফেলে আমরা কবিকে খুঁজব? আর মুগ্ধ হব তাঁর …

Sep 16, 2020
আরও পড়ুন

সর্বাধিক জনপ্রিয়



সহজ কবিতা সহজ নয় কঠিনও নয়



করোনা Diary



আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

 

 

কবিতা, গল্প, কবিতা বিষয়ক গদ্য পাঠাতে পারেন ইউনিকোডে ওয়ার্ড বা টেক্সট ফর্মাটে মেল করুন admin@mohool.in ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- www.mohool.in এ প্রকাশিত লেখার বিষয়বস্তু ও মন্তব্যের ব্যাপারে সম্পাদক দায়ী নয় ।