Mohool Potrika
Login Here  Login::Register
  • অণুগল্প সংখ্যা । বর্ষা । ২০২০
  • শোনো গো দখিন হাওয়া
  • মহুল ওয়েব ।। অষ্টম সংখ্যা ।। একুশে ফেব্রুয়ারি ২০
  • মহুল ওয়েব ।। উৎসব সংখ্যা ।। মহলয়া ২০১৯
  • মহুল ওয়েব অনুগল্পের আড্ডা (১)
  • মহুল ওয়েব ।। উৎসব সংখ্যা ।। মহলয়া ২০১৮
  • মহুল ওয়েব দ্বিতীয় সংখ্যা
  • মহুল ওয়েব প্রথম সংখ্যা
    আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

অণুগল্প সংখ্যা । বর্ষা । ২০২০



IMG 20200628 185805  

 

 

কালো মানুষ ভালো মানুষ
অ্যাঞ্জেলিকা ভট্টাচার্য  

 টগবগ টগবগ ঘোড়া ছুটছে। টাঙ্গা নয়। ঘোড়ায় টানা ঠ্যালা গাড়ি। রানীর মতো বসে আছে মাঝ বয়েসি এক মহিলা। আমার চেনা কয়লাওয়ালি। ঝাড়খণ্ড ঘেঁষা শহরে এভাবেই জীবিকার সন্ধানে এসে পড়ে কত বিচিত্র মানুষ ।

কয়লাওয়ালি , ও কয়লাওয়ালি তোমার বস্তায় কী আছে ?

কয়লাওয়ালি মিচকি হাসে। ভাঙা বাংলায় বলে – খোঁকি কইলা  আছে। দেখো মেরা শাড়ি , হাত পা সব কালা হয়ে গেছে।

কাবুলিওয়ালা সিনেমার ছবি বিশ্বাস কে দেখলে বারবার দেখতে ইচ্ছে করে। তার খোঁকি ডাক শুনতে ভালোলাগে । কাবুলিওয়ালার শরীর থেকে পাঠান বংশের বেক্তিত্ব ঝড়ে পরে। কিন্তু কয়লাওয়ালির সাদামাটা বেঁটে খাটো চেহারায় কোন আভিজাত্য নেই। তার গায়ের রঙ মিশকালো। নাকের উপর একটা বড় নাকছাবি। মাথায় বড় টিপ। সিঁথিতে কমলা রঙের সিঁদুর। তার পোশাকআশাক  থেকে তার জীবিকা ধরা পরে। তার কী নাম কেউ জিজ্ঞেস করে না। বললেও কারোর মনে থাকে না। সবাই তাকে কয়লাওয়ালি বলে চেনে।  

মাইজি ফ্যানের হাওয়া নাই! খুব গরমি। গাঁয়ের আঁচল দিয়ে হাওয়া করতে থাকে কয়লাওয়ালি।  

পিছন থেকে মায়ের গলা পেলাম – এই গণগণে রোদে বেরিয়েছ কেন ? বাইরে লু দিচ্ছে। এই নাও আম পোড়া শরবৎ খাও। শরীর ঠাণ্ডা হবে। তোমার ঘোড়া গাড়ি তার চালক সব  কোথায় গেল?

  • সে এগিয়ে গেল। ঘোড়াটাকে দানা জল খাওয়াবে । হামি ইখানে ঢুকে পড়লাম। বাপরে বহুত গরমি। 

মা ফ্যানের রেগুলেটার অনেকবার ঘোরালো। কিন্তু স্পীড যা ছিল তাই রয়ে গেল। বিরক্ত হয়ে বলল – এই দুপুর বেলাটায় ভোল্টেজ একটু ডাউন থাকে। সবার বাড়িতে ফ্রিজ , টিভি, পাম্প বসেছে। কত আর টানবে? তাই পাওয়ারের আপডাউন লেগেই থাকে। আসলে আমাদের বাড়িতে ফ্রিজ , পাম্প এসব কিছুই ছিল না। একমাত্র একটা সাদাকালো টিভি ছিল।  

কয়লাওয়ালি কিছুই বুঝল না বা হয়ত বুঝল। ঢকঢক করে শরবৎ খেয়ে মেঝেতেই শুয়ে পড়ল – মাইজি তোর ঘরে এসে বড় শান্তিলাগে। সেই ভাড়া ঘর  থেকে আমি আসছে ।নিজের হাত গুনে গুনে কী ভেবে নিয়ে বলল – দেখতে দেখতে বিশ সাল  নিকল গিয়া!  আমার দিকে তাকিয়ে বলল – তুই তখন ছিলিস না খোঁকি। তোর দিদি দাদা তারপর , বড় ঢেকুর তুলে বলল -  তুই তো এই সেদিন হলি ।

এই কথাটা বললে আমার রাগই হয়। এই সেদিন হলাম! এখন আমি এগারো  বছরের। আমি কোন উত্তর দিলাম না।তাতে কয়লাওয়ালির কিছু যায় আসে না। সে মায়ের সঙ্গে কথা বলে চলেছে - তব তু কইলাতে রান্না করতিস। গ্যাস কিউ লিয়া ?

মায়ের সবসময় হাত চলে। উল কাটা বুনতে  বুনতে বলল – রান্না তাড়াতাড়ি হয়। অনেক সুবিধা। উননের ধোয়াতে ঘর নষ্ট হয়ে যায়। এখানে তো দুটো ঘর এক চিলতে উঠোন। বাড়ি গুলো ঘিঞ্জি। কারোর বাড়িতে একটু ধোঁয়া ঢুকলেই চিৎকার করে।

কয়লাওয়ালি মাথা দোলায় – হাঁ বহত সুবিধা। মাইজি এখন কেউ আর কইলা নেয়না। কইলা না নিলে আমরা তো মরে যাবো।

সত্যি আমাদের বাড়িতে কয়লার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু কয়লাওয়ালির কথা শুনে মা মাঝে মাঝে কয়লা রাখত। তার ব্যবহার হত পাড়ার দুর্গা পূজাতে  নয়ত কালী পুজোয়।তখন মাটির বড় উননে গণগণ করে আঁচ ওঠার জন্য ফুল কয়লার দরকার পড়ত ।

 তখন কলেজে আমি। একদিন কয়লাওয়ালি দুপুর বেলায় তার ভাই , দাদা সবাইকে নিয়ে হাজির। সেবার একটু রাগ হয়েছিল। হুট করে বলা কওয়া  নেই। একেবারে প্রায় ন দশজন লোক এসে হাজির। কয়লাওয়ালি তার আত্মীয়দের দেখাতে এসেছে যে  এই অপরিচিত বিদেশ বিভূঁইয়ে তার আপনজন মাইজি তার বহুত খেয়াল রাখে।আমাদের তখন দোতালাটা নতুন। বেশ সাজানো গোছান। সবাই বেশ ঘুরে ঘুরে দেখে তাদের দেশের ভাষায় কিছু বলছিল। তা বুঝতে পারিনি। কিন্তু খুব খুশি এটুকু বোঝা যাচ্ছিল। অন্যের সুখ দেখে খুব কম মানুষ সুখী হতে পারে । এই গুনটা অনেক শিক্ষিত মানুষেরও থাকে না।  

কয়লাওয়ালির খেয়াল রাখার মধ্যে মাঝে সাঝে এলে রুটি নয় ভাত বাঁধা ছিল তার। আপদে বিপদে টাকা ধার দিয়েছে মা। মা কে এতোটাই ভরসা করত যে মায়ের কাছে তার সঞ্চিত অর্থ রেখে যেত। বলত – দেশে যাওয়ার সময় নিয়ে যাবো।

মায়ের কাছে শুনেছিলাম। দেশে শ্বশুরবাড়িতে তার সতীন আছে। কয়লাওয়ালির কোনোদিন কোন সন্তান হয়নি। তাই স্বামী আবার বিয়ে করেছে। সতীনের চারছেলে। দেশে গেলে তাদের হাতেও কিছু টাকা দিয়ে আসে। ভাইদের সংসারে টাকা দেয়।

টাকার অনেকগুন। টাকার জন্য তার কদর বজায় থাকে। দিদিকে নিয়ে আসার জন্য দেশ থেকে তার ভাইও চলে আসে।

কয়লাওয়ালি যে কোথায় থাকতো তার ঠিকানা  কোনোদিন জানার আগ্রহ হয়নি ।হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে গেল যেন। বহুদিন আসে না। এর মধ্যে আমার বিয়ে হল। অষ্টমঙ্গলার দিন বাড়ি গিয়েছি। সেই চেনা ডাক সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসছে। মাইজি , মাইজি। আমি সামনে আসতেই আমায় দেখে অবাক না হয়ে একগাল হেসে বলল – খোঁকি তোর  শাদী হোগিয়া !  বহুত সুন্দর লাগছিস। হাতে গুজে দিয়েছিল পঞ্চাশ টাকা।

তারপর মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষন কথা বলল। সে দেশে পড়ে  গিয়ে খুব চোট পেয়েছিল। ওখানেই  এতদিন ছিল। এই বয়েসে বোঝ হয়ে থাকতে ভাললাগে না তার । সেসব বলে গেল। এটাও বোঝা গেল তার টাকা এখন শেষ। তাই আপনজনদের কাছে তার কদর ফুরিয়েছে।  

সেদিন উপহারের পঞ্চাশ টাকা আমার কাছে কেমন অমুল্য হয়ে উঠেছিল। আমি কিছুক্ষন তাকিয়ে ছিলাম মানুষটার দিকে।রুগ্ন , বয়েসের ভারে নুইয়ে পরা  ভাঙাচোরা একটা দেহ নিয়ে ঘষটে ঘষটে সিঁড়ি দিয়ে যখন নেমে যাচ্ছিল তখন মনে হচ্ছিল বিজ্ঞান আমাদের  আধুনিকতা দিয়েছে। সময় বাঁচিয়ে আমারা সভ্যতার দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে চলেছি। কিন্তু এই সভ্যতার অলিতে গলিতে মানুষগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।

ব্যল্কনিতে ছুটে এসে দেখেছিলাম সেদিন তার কয়লার ঠ্যালা নেই। জিজ্ঞেস করলাম – তোমার ঘোড়া কোথায় ? ঠ্যালা  নেই ?

নিচ থেকে উপর দিকে তাকাল। হেসে বলল – কইলা কয়ি নেহিলেতা বাবু। তো ঠ্যালা দিয়ে কী করবো ?ঘোড়াটাও মরে গেছে। পায়ের দিকে তাকিয়ে বলল – এহি মেরা গাড়ি হ্যাঁয়। বুঝলাম এখন সে কয়লা বেঁচে না। কিন্তু কি করে চলে তার এখন জিজ্ঞেস করা হল না। সে এগারো নম্বর গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে গলির মুখে হারিয়ে গেল।

সেই শেষবার দেখা হয়েছিল। আর কোনোদিন কয়লাওয়ালির সঙ্গে আমার দেখা হয়নি ।শুনেছিলাম পুরনিয়াতে তার দেশ। সেখানেই শ্বশুর বাড়ি , বাপের বাড়ি।

এবার গরমে উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরার পথে ট্রেনের টিকিট কনফার্ম হয়নি। তাই গাড়িতে ফিরছি। ডালখোলা থেকে রাস্তা ভুল করে বিহারের পুরনিয়ার  দিকে চলে এসেছিল ড্রাইভার। একজনকে জিজ্ঞেস করে আবার ফেরার পথ ধরি। প্রায় সত্তর কিলোমিটার পিছনে ফিরতে হবে। জানলার ধারে বসে গরম হাওয়া আর রোদ খাচ্ছি। সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলছে কিন্তু তার তাপ কমেনি। রাস্তার ধারে দাঁড়ানো হয়েছে চা খাবো। হঠাৎ খেয়াল হল মস্ত গাছের নিচে খাটিয়ায় একজন বৃদ্ধা শুয়ে আছে। মুখে অজস্র বলি রেখা। কুঁকড়ে যাওয়া শরীর। মুখটা চেনা। কোথায় দেখেছি। মনে করতে পারলাম না।

মধ্যরাত এখন ফারাক্কা ব্রিজ ক্রস করে এসেছি। হাইওয়ে দিয়ে গাড়ি ছুটছে। ঝিমুনি এসেছিল। হঠাৎ নিজের অজান্তেই চমকে উঠেছিলাম। কয়লাওয়ালির মুখটা ভেসে উঠল। আজকের ওই খাটিয়ায় শোয়া জীর্ণ ভদ্রমহিলা কী সেই আমার দেখা পনের বছর আগের হাসিখুশি কয়লাওয়ালি !  সাদৃশ্য খুঁজতে খুঁজতে বিনিদ্র রাত্রি কাটিয়ে কখন দুর্গাপুর  হাইওয়ে ধরে নিয়েছি। অন্ডাল রোড ঢুকতেই দেখলাম রাস্তার একপাশে  কয়লার ওভার লোডেড ডাম্পার দৈত্যর মতো দাঁড়িয়ে আছে সারসার দিয়ে। দৈত্যগুলোর কোন ঘোড়া নেই।

আপনার জন্য



Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 269

রাঁচীর টিকিট ।। সৌতিক হাতী
Soutik Hati ।। সৌতিক হাতী

রাঁচীর টিকিটসৌতিক হাতী       জল ছুঁয়ে থাকা শরীর শরীর চুঁইয়ে পড়া নদী এইসব যেদিন আকাশ ছুঁলো সেদিনই তৎকালে টিকিট কাটলাম রাঁচির! শরীর ওপচানো স্রোতস্বিনী অনেক অববাহিকা অতিক্রম করে অবশেষে ছুটে চলল রাঁচীর ট্রেনের সাথে! স্টেশন ছুঁয়ে থাকা ভীড় নীড়ভাঙ্গা পাখির ডাক সব…

Oct 4, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 521

বৃষ্টি ।। সেখ মনিরুল ইসলাম
SK. Manirul Islam ।। সেখ মনিরুল ইসলাম

  বৃষ্টি সেখ মনিরুল ইসলাম    এভাবে বৃষ্টি আসবে আজ কেউ কি ভেবেছিল? যেমনটি তুমি আসবে এভাবে, ভাবেনি অনুপম। কাঠফাটা মাটির কান্নায় যে বৃষ্টি আছড়ে পড়ে বুকে তার একটুকরো যদি দিতে তখন তুমি আমাকে যেকোনো নামেই ডেকে নিতে।      

Oct 3, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 281

প্রতিদ্বন্দ্বী ।। কৌশিক দাস
Kaushik Das ।। কৌশিক দাস

  প্রতিদ্বন্দ্বী  কৌশিক দাস আমি সব প্রেমিকের প্রতিদ্বন্দ্বী হবো কারো প্রেমিক হবো না! প্রেমিকের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চাই চোখ ভরে দেখতে চাই রঞ্জন রশ্মিটাকে যার নিবিড় আলিঙ্গনে ধন্য হয় বয়ে যাবে আমার চির নিদ্রার অফুরন্ত প্রহর। এতো যে ভালোবাসা চাও তার এতটুকু উত্তাপ…

Oct 3, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 278

যে পাখিরা ঘরে ফেরে নি ।। সুকন্যা সাহা
Sukanya Saha ।। সুকন্যা সাহা

  যে পাখিরা ঘরে ফেরে নি  সুকন্যা   সাহা    ঘর  থাকলেই ফিরতে হবে ? প্রতিদিন ? যেমন করে  বাসায় ফেরে  পাখিরা ? যেমন করে ঢেউ ফেরে পাড়ে ? ফেরা কি এতই আমোঘ ? জরুরী ? একদিন বিকেলে হাঁটতে  বেরিয়ে  যদি না ফেরে কেউ ? কিংবা ফেরে অন্য কোনো গোলার্ধে   পরিযায়ী  পাখি…

Oct 4, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 620

আবর্তিত যাযাবর ।। অমরজিৎ মণ্ডল
Amarjit Mandal ।। অমরজিৎ মণ্ডল

আবর্তিত যাযাবর অমরজিৎ মণ্ডল লুকায়িত বৈশাখী অভিমানে এক অস্তিত্বের যন্ত্রণা । অপ্রাপ্তির প্রতিনিয়ত ক্রন্দনে খাঁচাবন্দী এক দিশেহারা চাতক। অপূর্ণতার নির্বাসিত ক্লান্ত বিকেলে নির্ঘুম এক বসন্তের শহর । আলোহীন রাত্রির নিষ্পলক দৃষ্টিতে বিস্ময়ের ছলনাময় মুখোশ । স্বরলিপির নিদারুণ অনুপ্রাসে প্রেমের বিষাক্ত…

Oct 3, 2018
Card image




অণুগল্প ।। বর্ষা ।। ২০২০  দেখেছেন : 242

জীবন মানে ।। নিরঞ্জন জানা
Niranjan Jana ।। নিরঞ্জন জানা

  -- সজল তোদের পশ্চিম মেদিনীপুরে কি এমন     ঝড় হয়েছে? ঝড় হয়েছেতো কোলকাতায় ।    তবে , সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক ঝড় হয়েছে দুই    চব্বিশ পরগনায়। -- ডাক্তারবাবু, শুনলাম আপনি পূর্বাভাস জেনেও    ঝড়ের আগের দিন কোলকাতা ছেড়ে দক্ষিণ     চব্বিশ পরগনায় চলে গিয়েছিলেন ? -- কোলকাতায় আমার…

Jun 27, 2020
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 360

দৃশ্যপট ।। জয়দেব মাইতি
Joydev Maity ।। জয়দেব মাইতি

দৃশ্যপটজয়দেব মাইতি   আকাশ জুড়ে খুশির টান সম্পর্কগুলো আবার জমাট, মুহুর্তে অবহেলায় যা থাকে,তাও; নামগোত্রহীন সুতোগুলো হঠাৎ পরিচয় পায়- রাতারাতি ক্যামেরাতে ঝলসে উঠে মুখ বন্ধনের সুর,ভেসে ওঠে বাতাসে লালসায় টুকরো হয় হৃদস্পন্দন, রক্ত মাংসে খুবলে ওঠে মন আর্তনাদ বেসুরে তখন, ক্যামেরার…

Oct 4, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 280

মজা ।। সুকুমার চৌধুরী
Sukumar Choudhuri ।। সুকুমার চৌধুরী

মজা সুকুমার চৌধুরী   যদি খেলার মতোই ধরে নিইতাহলে জিততেই হবেসে রকম কোনো অভিসন্ধিকখনো ছিল নাতবে যেহেতু খেলাতাই মজাটা যাতে ষোলো আনা থাকেসে দিকে নজর ছিল, তৎপরতাও । অথচ দেখ, মিথ্যে ছাড়াপৃথিবীতে কোনো মজা নেই, খুনসুুটিছাড়া বিস্তৃত সোহাগ নেই, উল্লাস ছাড়া যথেষ্ট আমোদ ।…

Oct 4, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা : ২০১৯ : গদ্য   দেখেছেন : 645

স্বপ্নালু চোখে খুঁজি ।। নিরঞ্জন জানা
Niranjan Jana ।। নিরঞ্জন জানা

স্বপ্নালু চোখে খুঁজি  নিরঞ্জন জানা দেখা না করে বাইরে যাওয়া কিংবা বাড়িতে ফিরলে আমার পায়ের শব্দ শুনেই কি করে যে বুঝে যেত--অবাক হয়ে যেতাম! যতক্ষণ না গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে দিই ততক্ষণ তার বকবকানি শুনতেই হোত। আমার আঙুলের ডগায় বুলিয়ে দিত তার তুলতুলে নরম জিভ।…

Sep 17, 2019
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 277

বৃষ্টি অনুভবে ।। রুমা বসু
Ruma Basu ।। রুমা বসু

বৃষ্টি অনুভবে রুমা বসু   আমার বৃষ্টিভেজা দিনগুলোয় অক্লেশে ভাগ বসিয়ে দিয়েছে--- শরীরের মধ্যে দিয়ে যে এতগুলো নতুন বসন্ত চলে গেল তাদের কারো কারো অনুভবে হয়তো এখনো বৃষ্টির গন্ধ লুকিয়ে আছে। ভাবনার ওপর তো কোনো দাবী হয়না তাই মনজুড়ে বয়ে চলে ইছামতী…

Oct 3, 2018
Card image




অনুগল্প সংখ্যা । জানুয়ারী ২০১৯   দেখেছেন : 695

স্মৃতি ।। স্বরুপা রায়
Swarupa Roy ।। স্বরূপা রায়

স্মৃতিস্বরুপা রায় সব লোকজন খাওয়াদাওয়া শেষ করে চলে গেলে আমার স্ত্রী রুমিলা এসে দাঁড়াল ওর ঘরেরবারান্দাটায়। বাইরের দিকে তাকিয়ে কি যেন ভাবছে। হঠাৎ পেছন থেকে দীপ এসে ওরকাঁধে হাত রাখে। রুমিলার সম্বিত ফিরতেই ও দীপের দিকেে তাকায়।'কি ভাবছো?' দীপ জিজ্ঞেস করল।'এক…

Jan 29, 2019
Card image




উৎসব সংখ্যা : ২০১৯ : গদ্য   দেখেছেন : 512

আগুনের ডায়েরী ।। শর্মিষ্ঠা ঘোষ
Sharmistha Ghosh ।। শর্মিষ্ঠা ঘোষ

ডায়ারি হাতে পেতে পেতে ক্লাস সেভেন। তার আগের দুই ক্লাস লাইনটানা নোটবুক। তখন অনেক কিছু ব্যক্তিগত। তখন অনেক কিছু সবাইকে বলা যাচ্ছে না। তখন সেরকম প্রাণের কাছাকাছি কেউ নেই তো। কেউ নেই বড় হওয়ার বিস্ময় কষ্ট আঘাত অপমান শেয়ার করার।…

Sep 22, 2019
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 535

পুরোনো সারেঙ্গি ।। রেবা সরকার
Reba Sarkar।। রেবা সরকার

পুরোনো সারেঙ্গি রেবা সরকার     তাইতো আমি এক মহানগরী ছোট্ট ঘর দুয়ার ফেলে তিস্তা করলাকে এড়িয়ে গঙ্গার কিনারে বসে-- কবিতা লিখে যাই। লাল সিঁথি কালো ছোপছোপ উদাস বাতাস উন্মুক্ত করে মুখ চিবুক হা-হুতাশ ছড়িয়ে পড়ে সারেঙ্গিটা পুরোনো ধুলোয় স্তূপ স্তূপ নেকড়া দিয়ে…

Oct 3, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 287

অতএব সিদ্ধান্ততে ।‌। ঋভু চট্টোপাধ্যায়
Ribhu Chattopadhyay।। ঋভু চট্টোপাধ্যায়

  রোদ নামের ছায়া  ঋভু চট্টোপাধ্যায়   সমস্ত প্রেমিকাই ছায়ার মত, শুধু বহুদূর থেকে একটা খণ্ড মহাপুরুষের হাতে এভাবে রাত নামে, গোলাপি বিকাল ঘেমে তেরছা দরজাতে স্রোত নামে, অন্ধ আলোর ঝাঁপ খুলে কীর্তন শোনে একটা কুপি, সেভাবেই চোখে পড়ে। এখনো অনেকে বিশ্বাস করে মিথ বলে কিছু নেই, রাত মানে একটা সকালের…

Oct 4, 2018
Card image




উৎসব সংখ্যা : ২০১৯ : গদ্য   দেখেছেন : 601

কালো মানুষ ভালো মানুষ ।। অ্যাঞ্জেলিকা ভট্টাচার্য
Anjelika Bhattacharjee ।। অ্যাঞ্জেলিকা ভট্টাচার্য

কালো মানুষ ভালো মানুষঅ্যাঞ্জেলিকা ভট্টাচার্য   টগবগ টগবগ ঘোড়া ছুটছে। টাঙ্গা নয়। ঘোড়ায় টানা ঠ্যালা গাড়ি। রানীর মতো বসে আছে মাঝ বয়েসি এক মহিলা। আমার চেনা কয়লাওয়ালি। ঝাড়খণ্ড ঘেঁষা শহরে এভাবেই জীবিকার সন্ধানে এসে পড়ে কত বিচিত্র মানুষ । কয়লাওয়ালি , ও…

Sep 19, 2019
Card image




অণুগল্প ।। বর্ষা ।। ২০২০  দেখেছেন : 224

সৎ পাত্রী ।। সহদেব প্রধান
Sahadeb Pradhan ।। সহদেব প্রধান

বিদ্যালয়ে বাৎসরিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হবে। তার জন্য সাংস্কৃতিক বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের আলোচনা চলছে। ক’টি বিভাগ,কী কী প্রতিযোগিতা,বিষয়,বিচারক,পুরস্কার ইত্যাদি। পঞ্চম শ্রেণির আবৃত্তির জন্য সুকুমার রায়ের ‘সৎপাত্র ’ কবিতাটি রাখার প্রস্তাব দিলেন কোয়েল ম্যাডাম। সঙ্গে সঙ্গে নবাগত শিক্ষক মান্দাস বাবু বাধা দিলেন। জানালেন, …

Jun 27, 2020
Card image




একক কবিতা সন্ধ্যা   দেখেছেন : 737

শম্ভু রক্ষিত এর এক গুচ্ছ কবিতা
Sambhu Rakhit ।। শম্ভু রক্ষিত

শম্ভু রক্ষিত এর এক গুচ্ছ কবিতা  নষ্টশোক আমার অস্থির কাঁপা হাত দিয়ে যখন আমি তোমার হাড় মাংস তুস পান করতে আসি, স্বর্ণখনি উসকে জাদুর তুলার রাজ্য নিতে আসিঅনুভূতির তখন যেন স্বার্থহীন যাত্রা   হোভার ক্রাফট, মনোরেল চড়ে যখন আমি তোমাকে গোপন ও গ্রাস করিপুরাণকাহিনী…

Mar 29, 2020
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 277

একাকীত্বের সঙ্গে ।। শিল্পী দত্ত
Shilpi Dutta ।। শিল্পী দত্ত

একাকীত্বের সঙ্গে শিল্পী দত্ত সবাই বলে আমি নাকি একা, কিন্ত আমি জানি আমি একা নই। ভালোবেসে যে বীজ বপন করেছিলি আমার শরীরে, সেটা আজ ছোট্ট চারাগাছ। আমার সকল একাকীত্বের সঙ্গী। তাকে যত্ন করতে অনেকটা সময়ই কেটে যায়। তবুও মনে পড়ে…

Oct 3, 2018
Card image




একক কবিতা সন্ধ্যা   দেখেছেন : 1101

মাসুদার রহমান এর এক গুচ্ছ কবিতা
Masudar Rahaman ।। মাসুদার রহমান

মাসুদার রহমান এর এক গুচ্ছ কবিতা   শালবন    শালবনে ঢুকে কারা কথা বলছে  সারারাত চাঁদ গলে ফোঁটাফোঁটা মোমের জোছনা স্টুরিস্টলজের বারান্দায় এক নিঃসঙ্গ লোক সাকালে দেখতে পেল- পাতাকুড়োনি মেয়েটি সারারাত কথাবলাদের বস্তায় ভরিয়ে বাড়ি ফিরছে   মাটির চুলোয় ভাত রেঁধে খাবে       প্রিয় নিমগাছ    নিমগাছটির ছায়া  বিকেলে বারান্দা পর্যন্ত চলে আসে চা-মুড়ি খেতে খেতে দেখি আদুরে বিড়াল…

Apr 2, 2020
Card image




উৎসব সংখ্যা :২০১৮ : কবিতা  দেখেছেন : 259

অশ্রু ।। সপ্তাশ্ব ভৌমিক
Saptaswa Bhowmik ।। সপ্তাশ্ব ভৌমিক

অশ্রু সপ্তাশ্ব ভৌমিক ছুরির ফলায় যত থাক মানা বিপথের দানে এইটুকু জানা বিষের ফণায় হোক যত হানা সব হবে ছিনতাই আগে আর পরে নিষেধের ঘোরে দোর থেকে দোরে শুধু ঘুরে ফিরে বধ হতে হবে সময়ের তীরে সমাধান কিছু নাই দাঁড়িয়ে…

Oct 3, 2018
আরও পড়ুন
«
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
»

সর্বাধিক জনপ্রিয়



করোনা Diary



সহজ কবিতা সহজ নয় কঠিনও নয়



আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

 

 

কবিতা, গল্প, কবিতা বিষয়ক গদ্য পাঠাতে পারেন ইউনিকোডে ওয়ার্ড বা টেক্সট ফর্মাটে মেল করুন admin@mohool.in ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- www.mohool.in এ প্রকাশিত লেখার বিষয়বস্তু ও মন্তব্যের ব্যাপারে সম্পাদক দায়ী নয় ।