• IMG-20180311-WA0016-copy.jpg


আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...



প্রচ্ছদ - সৌমেন মাজী       
Write comment (0 Comments)
0
1
0
s2sdefault

 

ম্পা দ কী

মন...
যখন আছে। তার কেমনও আছে...

হুস করে বাতাস নিয়ে গেল তোমার গন্ধ।
কেউ পাচ্ছে কোথাও...। একবার ভাবো!

অপেক্ষা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছো যে!
যাবো?
উঁহু, যাবো না।
অমনি মন কেমন কেমন করে উঠছে তো?

যে বাউল চলে গেল এইমাত্র, গানের শেষ কথাগুলো নিয়ে গুনগুন গাইছে তোমার মন...

শিউলি ফুটছে। কাশ ঝরছে কোথাও।
অপু দুর্গার চোখে মনকেমনের আকাশ!

হাহাকারগুলো ফুটে আছে মাটিতে,
বৃষ্টি কতটুকুই বা ধুতে পারে!

তবু এই যে বেঁচে থাকা,
মনকেমন আছে বলেই না?
 
মহালয়া ২০১৯                   --- কেশব মেট্যা
                 
           
Write comment (0 Comments)
0
1
0
s2sdefault
 

মন কেমন করে ওঠে
দুঃখানন্দ মণ্ডল

মানুষ সম্পূর্ণ ভাবে নিজেকে নিজের কাছে পেয়ে গেলে ঘুরে দাঁড়ায় অতীত থেকে। কিন্তু একটা সময় আসে অতীত খুব নাড়া দেয় স্মৃতি। তখন ক্লাস ফাইভ। বাড়ি থেকে ছয় মাইল দূরে স্কুল। হাঁটা পথ প্রায় তিন ঘন্টার। টিফিন বলতে রাতের ভাত আর অড়রহর ডাল সিদ্ধ। এক হাতে বইয়ের ব্যাগ, অন্য হাতে বাসি ভাতডালের সিলভার টিফিনকেরী। এত পথ তারপর কাঁসাই নদী পার হওয়া। মাঝির সাথে চুক্তি থাকত বছরে তিনটি মুরগী। সমতল বালির চরে অনেকটা গর্ত খোলা হতো ভিজে বালি তারপর জল আসা বালির উপর বাসি ভাতডালের কৌটাটি বসিয়ে দিয়ে বালি চাপা দিয়ে স্কুলের পথে এগিয়ে যাওয়া। সাত পিরিওডের ঘন্টা বাজার অপেক্ষায় থাকত পেট। তারপরেও শান্তি কোথায়? এক ঘন্টার হাঁটা পথ পেরিয়ে আসার পর নদীর চর। যত সামনে আসতো নদীর চর ততই গতি বাড়তো পায়ের। একটা সময় বালি সরিয়ে কৌটা বার করা হতো। ততক্ষণে কৌটাটি বেশ ঠাণ্ডা হয়েছে। ভাতের টক স্বাদও এসে গেছে। তৃপ্তি ভরে খাওয়ার পর কাকচক্ষু কাঁসাইয়ের জল কৌটার ঢাকনা দিয়ে খেয়ে নৌকায় করে নদী পার হয়ে বাড়ির পথে এগিয়ে যাওয়া। মন কেমন করে ওঠে স্মৃতি নাড়া দিলে। এখন নৌকা বাঁধা নেই। নেই মাঝিও। বালির চরে কাশের বন মাথা নাড়ছে আর নদীর উপর দৈত্যের মতো দাঁড়িয়ে আছে কংক্রিটের ব্রিজ। দাদা আসুন ভাত বাড়া হয়ে গেছে। তোমার প্রিয় অড়রহর ডাল আর শুসনি শাকের ভাজা আজ করেছি।

স্মৃতিগুলো জমে আছে ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির মতো, বার্ধক্য যত এগিয়ে আসছে ততই মন কেমন করে উঠছে।

Comments powered by CComment

0
1
0
s2sdefault