Mohool Potrika
Login Here  Login::Register

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা



pracchad2

প্রচ্ছদ – সন্দীপ দে

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা



Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
লবণ আইন অমান্য আন্দোলনে দাসপুরের শ্যামগঞ্জ ।। বঙ্কিম দে
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
স্বাধীনতা আন্দোলনে চন্দ্রকোণা : ১৯০৫-১৯৪২ খ্রী : ।। গণেশ দাস
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
কুখ্যাত ডগলাসের হত্যাকারী মহান বিপ্লবী প্রভাংশুশেখর পাল ।। নিখিলেশ ঘোষ
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
স্বাধীনতা আন্দোলনে নাড়াজোল রাজপরিবার ।। দেবাশিস ভট্টাচার্য
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
স্বাধীনতা আন্দোলনে ঘাটাল মহকুমার জমিদার ও সামন্তদের ভূমিকা ।। দেবাশিস কুইল্যা
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা ।। উমাশঙ্কর নিয়োগী
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
ঘাটাল মহকুমার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ।। অশোক পাল
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী শহীদ প্রদ্যোৎ ভট্টাচার্য ।। নিখিলেশ ঘোষ
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
স্বাধীনতা আন্দোলনে চেঁচুয়ার হাট ও মৃগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ।। দুর্গাপদ ঘাঁটি
Card image

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা
ঐতিহাসিক ফাঁসিডাঙা ।। পুলক রায়

ঐতিহাসিক ফাঁসিডাঙা ।। পুলক রায়

pracchad2 

চন্দ্রকোণা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে পিচঢালা রাস্তার পাশে বিশাল জমি একসময় বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। চারপাশে বট আর পাকুড়ের গাছ। এখানেই বড় বড় গাছে স্বাধীনতা সংগ্রামের বহু নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি যেমন হাবল ,সুবল, রাজেন্দ্র, ফাগু, যুগল ও কিশোর সহ দেশভক্ত বহু মানুষ কে অত্যাচারী ইংরেজ শাসকরা এখানকার বড় বড় গাছে ঝুলিয়ে ফাঁসি দিয়ে বিদ্রোহ দমনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। জায়গাটি চন্দ্রকোণা থানার ৬৮ নং মৌজার ৩ নং বসনছোড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ফাঁসিডাঙা।

fanshidanga3

ফাঁসিডাঙার ইতিহাস তৎকালীন সময়ে কৃষক জমিদারদের উপর ইংরেজ শাসকদের অকথ্য নির্যাতনের ইতিহাস, নৃশংসতার ইতিহাস।
ইংরেজ কোম্পানি নবাবের কাছ থেকে মেদিনীপুরের সনন্দ লাভ করার পর সেখানকার প্রজা জমিদারদের উপর উচ্চহারে কর ধার্য করে। অথচ প্রজাদের সেই কর বহন করার মতো অবস্থা ছিল না। ইংরেজরা তাদের 'পাইক, চুয়াড়' নামে অভিহিত করতো। কিন্তু এরা ছিল ভূমিজ হতদরিদ্র লোধা, মুন্ডা, শবর জাতির কৃষক প্রজা। বনজঙ্গল কেটে চাষের জমি বের করে যেটুকু ফসল ফলাতো তাতে কোনোরকমে তাদের দিন চলতো।
ইংরেজ কর্মচারীরা এদের দুঃখ দুর্দশার কথা না বুঝে জমি থেকে উৎখাত করে অন্য রাজা বা জমিদারদের সেই সব জমি বন্দোবস্ত দিতে লাগলো। এই অন্ত্যজ শ্রেণীর অধিবাসীদের মৃত্যুর প্রহর গোনা ছাড়া আর কিছু করার থাকল না। কিন্তু মরার আগে সব কিছু মুখ বুজে সহ্য করতেও তারা রাজি নয়। অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠল তারা। পুরুষানুক্রমে যেসব জমির স্বত্ব তাদের ছিল, যেসব জমিতে এতদিন ফসল ফলিয়ে এসেছে তারা, সেই জমি কিছুতেই হারাতে রাজি নয়। শুরু হলো বিদ্রোহ।
বাঁকুড়ার দক্ষিণ দিক থেকে বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুরের সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপকভাবে শুরু হল চুয়াড় ও পাইক বিদ্রোহ। ইতিহাসে ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে এই চুয়াড় বিদ্রোহ ছিল অত্যন্ত ভয়ানক, ভয়ংকর। ১৮০৬ সালে বগড়ী অঞ্চলে নায়েকদেরও আর এক বিদ্রোহ দেখা দিল। এই বিদ্রোহকে নায়েক বিদ্রোহ বা পাইক বিদ্রোহ বলা হয়।

fanshidanga2

 

 


অপরদিকে বিদ্রোহে সামিল হয়েছিলেন গড়বেতার গোবর্ধন দিকপতি এবং কর্ণগড়ের রাণী শিরোমনি। ইংরেজদের বিরুদ্ধে এঁরাও গর্জে উঠেছিলেন। ইংরেজরাও কঠোর হাতে এই বিদ্রোহ দমনের চেষ্টা শুরু করল। পাইক চুয়াড়দের অস্ত্র ছিল তীর ধনুক এবং কিছু অস্ত্র।
শাসন শোষণ অত্যাচার অবিচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ভীষণ আকার ধারণ করে এবং সমগ্র জঙ্গলখন্ডে ছড়িয়ে পড়ে। বগড়ীর সুবিস্তীর্ণ প্রান্তরে সাহেবডাঙা নামক স্থানে ইংরেজ শিবির তৈরি হয়। বগড়ীর রাজা যাদবচন্দ্র সিংহ ইংরেজ সৈন্যদল কর্তৃক বন্দী হয়ে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে স্থানান্তরিত হন। ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে নির্দোষ এবং মুক্তিলাভ করার আগেই মারা যান তিনি। ১৭৯৭ খ্রিস্টাব্দে যাদব পুত্র ছত্র সিংহ বগড়ীর সনদ প্রাপ্ত হন। কিন্তু তিনিও এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন এই সন্দেহে ইংরেজরা তাকেও বন্দী করে। কিন্তু ছত্র সিংহের সেনাপতি অচল সিংহ এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিতে থাকেন। অচল সিংহের সাথে যোগ দেন ভোদা, বিশা, আঠারো কাহন সর্দার যুগল ও কিশোর। দুর্বার গতিতে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। অচল সিংহ গড়বেতার নায়েক শিবিরকে কেন্দ্র করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হন। দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল হুড়হুড়ি, কিশোরপুর, মালবান্দি, পাথরাশিনি, বিরাজপুর প্রভৃতি স্থানে। বহু জায়গায় ‘লায়কালিগড়’ তৈরি হয়। ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে সেনাপতি অচল সিংহের নেতৃত্বে নায়েক বিদ্রোহ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে মিঃ চার্লস রিচার্ড ও মিঃ হেনরি এই দুজন ইংরেজ সেনাধ্যক্ষের অধীনে অশ্বারোহী গোরা সৈন্য বিদ্রোহ দমনের জন্য বগড়ীতে আসেন। সম্মুখ সমরে ইংরেজ সৈন্যদের কাছে নায়েক বীরগণ পরাজিত হলে বিজয়ী ইংরেজ সৈন্য গড়বেতার নায়েক শিবির ভস্মীভূত করে দেয় আর ফাঁসিডাঙায় নিয়ে এসে বিদ্রোহীদের গাছে গাছে ঝুলিয়ে দেয়। যুগল ও কিশোর দুই ভাই ধরা পড়েন। কেশপুর থানার অন্তর্গত শ্যামচাঁদপুর অঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা নিত্যানন্দ সিংহ তখন চন্দ্রকোণা ও বগড়ী অঞ্চলের দারোগা ছিলেন। ইনিই ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে ফাঁসিডাঙায় এই দুই ভাইয়ের ফাঁসি দিয়েছিলেন। এদের ফাঁসির সময় কাঠ ডমুকের বাজনা বাজানো হয়েছিল অর্থাৎ ঢাক ঢোল বাজিয়ে ব্রিটিশ সরকার এদের ফাঁসি দিয়ে নিজেদের বীরত্ব জাহির করেছিল। হাবল রাজেন্দ্র ফাগু ও সুবল প্রভৃতি নেতৃস্থানীয় বীরদের ফাঁসি এই ফাঁসি ডাঙাতেই হয়েছিল।
ইংরেজরা বগড়ীর রাজা ছত্র সিংহের জমিদারি কেড়ে নিয়ে পাঠকদের সঙ্গে তাঁর যোগসাজশ থাকার সন্দেহে তাকে কারারুদ্ধ করে রাখে। দফায় দফায় তাকে হুগলীর চুঁচুড়ায় এবং মেদিনীপুরে রাখা হয়। সেনাপতি অচল সিংহ বীর বিক্রমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে।
কিন্তু ইংরেজদের প্রলোভনে ছত্র সিংহ তার পৈতৃক রাজ্য ফিরে পাবার আশায় এক অদ্ভুত কান্ড করে বসলেন। ইংরেজ শাসকদের তুষ্ট করতে গিয়ে তিনি কৌশলে সেনাপতি অচল সিংহ কে ষড়যন্ত্র করে ধরিয়ে দেন। ইংরেজরা পাইকদের এই দুর্ধর্ষ নেতাকে পেয়ে তাকে বন্দী করে বিচারের ব্যবস্থা করে তাঁর ফাঁসির ব্যবস্থা করে। অচল সিংহ সহ আরো ৩০ জন যোদ্ধার কোম্পানির বিচারে মেদিনীপুরের পুরাতন জেলখানা মাঠে [ মারাঠা দুর্গ ] র সংলগ্ন মাঠে প্রকাশ্যভাবে ফাঁসি দেয়া হয়।

fanshidanga1

 


ফাঁসিডাঙার শাল পিয়াল বট পাকুড়ের বড় বড় ডালে ডালে বীর চুয়াড় পাইকদের ধরে ধরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হতে লাগল। বীভৎস সেই ফাঁসিকাঠে লটকে থাকা দেহগুলো দেখে লোকে শিউরে উঠতো। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এরকম বিদ্রোহ না করতে পারে ইংরেজ শাসকরা বিদ্রোহীদের এভাবে ফাঁসিতে লটকে সকলের কাছে এই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছিল।
পরে এই স্থানের নাম হয় ফাঁসিডাঙা। সেই ঘন জঙ্গল আর নেই। নেই শাল পিয়াল বট পাকুড়ের গাছ। তবে বেশ কয়েকবছর আগেও এখানে একটি বিশাল বট গাছ ছিল বলে অনেকে বলে থাকেন। পরবর্তী কালে এই জায়গায় ফাঁসির মঞ্চের আকারে একটি প্রতীকী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। আরও পরবর্তী কালে এই ঐতিহাসিক জায়গাটি স্মরণীয় করে রাখার জন্য এবং সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে একটি বিশাল আকারের ফাঁসির মঞ্চ স্মারক তৈরি করে রাখা হয়েছে। নবকলেবরে সেজে উঠেছে ফাঁসিডাঙা। পর্যটকদের কাছে এখন এটি একটি দর্শনীয় স্থান। ২০২১ সালে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রশ্মি কমল আনুষ্ঠানিকভাবে এটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। এখানে টিকিট কেটে এখন এই ঐতিহাসিক স্থানে প্রবেশ করতে হয়।

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা



Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 203

স্বাধীনতা আন্দোলনে চেঁচুয়ার হাট ও মৃগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য ।। দুর্গাপদ ঘাঁটি
Durgapada Ghanti ।। দুর্গাপদ ঘাঁটি

দাসপুর থানার স্বাধীনতা আন্দোলন ও মৃগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য যেন অবিচ্ছেদ্য নাম ও সম্পর্ক। এমনই কিংবদন্তি যুগপুরুষের নাম দাসপুর তথা মেদিনীপুর জেলার স্বাধীনতা আন্দোলনেের ইতিহাসে ও আপামর মানুষের হৃদয় ফলকে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। এমন বিপ্লবী বীরের কথা আলোচনায় আনতে গেলে দাসপুরের…

Aug 5, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 445

স্বাধীনতা আন্দোলনে ঘাটাল মহকুমার জমিদার ও সামন্তদের ভূমিকা ।। দেবাশিস কুইল্যা
Debasish Kuila ।। দেবাশিস কুইল্যা

                আগস্ট মাস ভারতের স্বাধীনতার মাস। এই আগস্টে ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তি একটা সময়ের মাপকাঠি। স্বাধীনতা প্রাপ্তির ইতিহাস বর্ণে বর্ণে আন্দোলনের ধারাবাহিক ঘটনার স্থান, কাল ও ব্যক্তি বিশেষের উপর নির্ভর করে সংঘটিত হয়েছে। শুধু…

Aug 10, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 416

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা ।। উমাশঙ্কর নিয়োগী
Umasankar Neogi ।। উমাশংকর নিয়োগী

                                    অগ্নিযুগে বিপ্লবী মন্ত্রে দীক্ষিত ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রিয় বিচরণ ভূমি ছিল মেদিনীপুর জেলা। খ্যাত-অখ্যাত বহু বীর শহীদের জন্ম দিয়েছে  মেদিনীপুর। এই জেলা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। হঠাৎ করে মেদিনীপুর জেলার মানুষ দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাকামী  হয়ে ওঠেনি-  এ তার উত্তরাধিকার সূত্রে…

Aug 10, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 97

স্বাধীনতা আন্দোলনে নাড়াজোল রাজপরিবার ।। দেবাশিস ভট্টাচার্য
Debasish Bhattacharjee ।। দেবাশিস ভট্টাচার্য

মেদিনীপুরের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ইংরেজ শাসন বিরোধী সাহসিকতা ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিলেন নাড়াজোলের সীতারাম খান ও রানী শিরোমণী। কিন্তু ১৭৮৮ সালের পর ১৮৯৫ পর্যন্ত নাড়াজোলের জমিদাররা প্রত্যক্ষভাবে ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করেনি। কারণ তাঁরা বুঝেছিলেন এতবড়ো জমিদারির সুরক্ষায় ইংরেজদের সঙ্গে সরাসরি শত্রুতামূলক…

Aug 13, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 151

ঘাটাল মহকুমার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ।। অশোক পাল
Ashok Pal ।। অশোক পাল

অরবিন্দ মাইতি স্বাধীনতা সংগ্রামী অরবিন্দ মাইতির জন্ম দাসপুরের গোছাতি গ্রামে। তিনি ১৯২০ খ্রি. দাসপুর থানা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক হন। ১৯৩০ খ্রি. গান্ধীজীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে লবণ সত্যাগ্রহ ও মাদক দ্রব্য বয়কট আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মে মাসে লবণ তৈরী কেন্দ্র থেকে অরবিন্দ…

Aug 6, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 139

অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী শহীদ প্রদ্যোৎ ভট্টাচার্য ।। নিখিলেশ ঘোষ
Nikhilesh Ghosh ।। নিখিলেশ ঘোষ

"We are determined Mr burge not to allow any European to remain at Midnapore .yours is the next turn .Get yourself ready. I am not afraid of death .Each drop of my blood will give birth to hundreds of Pradyots…

Aug 5, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 165

স্বাধীনতা আন্দোলনে চন্দ্রকোণা : ১৯০৫-১৯৪২ খ্রী : ।। গণেশ দাস
Ganesh Das ।। গণেশ দাস

বণিকের 'মানদণ্ড', 'রাজদণ্ডে' রূপান্তরিত হওয়ার পর থেকেই ইংরেজ শাসকের অনৈতিক শাসন, অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে দিকে দিকে বাঙালি তথা ভারতবাসী গর্জে উঠেছিল। কখনো নিয়মতান্ত্রিক পথে, কখনো সশস্ত্র সংগ্রামের পথ অবলম্বন করে বুঝিয়ে দিয়েছিল এ মাটি খুব শক্ত মাটি, স্বাধীন মাটি। এখানে…

Aug 13, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 120

কুখ্যাত ডগলাসের হত্যাকারী মহান বিপ্লবী প্রভাংশুশেখর পাল ।। নিখিলেশ ঘোষ
Nikhilesh Ghosh ।। নিখিলেশ ঘোষ

প্রদ্যোৎ কুমার ভট্টাচার্যের অভিন্ন হৃদয় বন্ধু প্রভাংশুশেখর পাল ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা বিপ্লবী। জীবন মৃত্যুকে সত্যিই পায়ের ভৃত্য করে যিনি মাত্র ৪ ফুট দূরত্বে দাঁড়িয়ে ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে গুলিবিদ্ধ করার স্পর্ধা দেখিয়েছিলেন। যেখানে ধরা পড়ার অর্থ নিশ্চিত মৃত্যু তা জেনেই তিনি অগ্রসর…

Aug 13, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 111

ঐতিহাসিক ফাঁসিডাঙা ।। পুলক রায়
Pulak Roy ।। পুলক রায়

  চন্দ্রকোণা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে পিচঢালা রাস্তার পাশে বিশাল জমি একসময় বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। চারপাশে বট আর পাকুড়ের গাছ। এখানেই বড় বড় গাছে স্বাধীনতা সংগ্রামের বহু নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি যেমন হাবল ,সুবল, রাজেন্দ্র, ফাগু, যুগল ও কিশোর সহ দেশভক্ত বহু…

Jul 31, 2022
Card image




স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা   দেখেছেন : 129

লবণ আইন অমান্য আন্দোলনে দাসপুরের শ্যামগঞ্জ ।। বঙ্কিম দে
Bankim Dey ।। বঙ্কিম দে

  নবাব মীরকাসিম ও ইংরেজ শাসক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সন্ধির শর্ত হিসেবে পাশাপাশি দুটি চাকলা, চাকলা বর্ধমান ও চাকলা মেদিনীপুর কোম্পানির হস্তগত হয়। পরবর্তী চাকলা হিজলির তমলুক ও চেতুয়া পরগনার ভৌগোলিক ও আর্থসামাজিক সাদৃশ্য তে প্রচুর মিল ছিল। পরগনা গুলি নদী…

Aug 13, 2022
আরও পড়ুন
«
  • 1
  • 2
  • 3
»

স্বাধীনতা সংগ্রামে ঘাটাল মহকুমা



মহুল ওয়েব প্রকাশিত বিভিন্ন সংখ্যা



করোনা Diary



আমাদের কথা

আমাদের শরীরে লেপটে আছে আদিগন্ত কবিতা কলঙ্ক । অনেকটা প্রেমের মতো । কাঁপতে কাঁপতে একদিন সে প্রেরণা হয়ে যায়। রহস্যময় আমাদের অক্ষর ঐতিহ্য। নির্মাণেই তার মুক্তি। আত্মার স্বাদ...

কিছুই তো নয় ওহে, মাঝে মাঝে লালমাটি...মাঝে মাঝে নিয়নের আলো স্তম্ভিত করে রাখে আখরের আয়োজনগুলি । এদের যেকোনও নামে ডাকা যেতে পারে । আজ না হয় ডাকলে মহুল...মহুল...

ছাপা আর ওয়েবের মাঝে ক্লিক বসে আছে। আঙুলে ছোঁয়াও তুমি কবিতার ঘ্রাণ...

 

 

কবিতা, গল্প, কবিতা বিষয়ক গদ্য পাঠাতে পারেন ইউনিকোডে ওয়ার্ড বা টেক্সট ফর্মাটে মেল করুন [email protected] ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- www.mohool.in এ প্রকাশিত লেখার বিষয়বস্তু ও মন্তব্যের ব্যাপারে সম্পাদক দায়ী নয় ।